পোস্ট সূচিপত্রঃWindows 11 ইন্সটল করার নিয়মাবলি
- সিস্টেম রিকোয়ারমেন্ট
- Windows 11 ইনস্টল করার আগে আর কী কী পরীক্ষা করবেন?
- Windows 11 ইনস্টলের আগে যা যা লাগবে
- সঠিক পদ্ধতিতে iso ফাইল ডাউনলোড
- WinRAR সফটওয়্যার ডাউনলোড
- সহজেই ISO ফাইলের ডাটা এক্সট্র্যাক্ট করা
- System ফাইল ওপেন এবং windows setup
- কম্পিউটার বা ল্যাপটপ auto restart
- Windows 11 সেটআপ করা
- Windows 11 ইন্সটল হওয়ার পর করণীয়
- Windows 11 Install করার পর PC/Laptop Slow হলে কী করবেন
- Windows 11 ইন্সটল করার পর সহজেই কিভাবে activate করবেন
সিস্টেম রিকোয়ারমেন্ট
- Windows 11 ইন্সটলের জন্য সর্বনিম্ন 4gb ram কম্পিউটার বা ল্যাপটপে থাকা লাগবে। তবে আরো বেশি ramথাকলে পারফরমেন্স আরো ভালো পাওয়া যাবে।
- Windows 11 ইনস্টলের জন্য কমপক্ষে 64 GB storage থাকা লাগবে।তবে 64 GB হলো Windows Update, software এবং ব্যক্তিগত ফাইলের জন্য অতিরিক্ত খালি জায়গা পাওয়া যাবে।
- Windows 11 ইনস্টল করার জন্য কমপক্ষে 1 GHz, 2 Core-এর 64-bit Processor থাকা প্রয়োজন।
-
Windows 11 ইন্সটলের জন্য কমপক্ষে 9inchএর বেশি display এবং 720p বা তার বেশি resolution প্রয়োজন। Resolution খুব কম হলে Windows-এর বিভিন্ন interface ও content সঠিকভাবে দেখা যাই না।
-
কম্পিউটারে TPM version 2.0 থাকতে হবে। তা না হলে windows 11 ইন্সটল করা যাবে না।
- ল্যাপটপ বা কম্পিউটারের Graphics কার্ড অবশ্যই DirectX 12 বা এর পরের ভার্সন থাকতে হবে।
- Windows 11 ইন্সটলের কিছু setup ও update-এর জন্য ল্যাপটপ বা কম্পিউটারেInternet connection প্রয়োজন হবে।
Windows 11 ইনস্টল করার আগে আর কী কী পরীক্ষা করবেন?
- ।Processor Windows 11এর জন্য compatible না হলে ইন্সটলের সময় compatibility সমস্যা দেখা যেতে পারে। এছাড়া সাপোর্ট করে না এমন প্রসেসর Windows 11এ চালালে ভবিষ্যতে আপডেট না হওয়া বা পারফরমেন্স ড্রপের মত সমস্যা দেখা দিতে পারে।
- Secure Boot প্রয়োজনীয় অবস্থায় না থাকলে Windows 11 ইনস্টলের সময় compatibility সমস্যা দেখা যেতে পারে। তাই আগে এটি supported আছে কিনা দেখে নিতে হবে ।
- Windows ইনস্টলের আগে অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ ফাইলের Backup রাখতে হবে।
- Windows 11 ইনস্টলের পর সঠিক driver না থাকলে Wi-Fi, sound, Bluetooth, graphics বা touchpad-এর মতো hardwareগুলোঠিকভাবে কাজ করবে না ।
- Home, Pro ইত্যাদি edition এর মধ্যে ভুল edition নির্বাচন করলেexisting license-এর সঙ্গে activationএর সমস্যা হতে পারে।তাই এটাও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
- Upgrade এবং Clean Install এক জিনিস নয়। ভুলভাবে Clean Install করলে পুরোনো Windowsএর ডাটাগুলো মুছে যেতে পারে। তাই ইনস্টলের আগে কোন পদ্ধতি ব্যবহার করতে হবে তা পরিষ্কারভাবে বুঝে নিতে হবে।
Windows 11 ইনস্টলের আগে যা যা লাগবে
- Windows 11 compatible laptop/PC. কারণ কম্পিউটার বার ল্যাপটপে যদি windows 11 এর রিকোয়ারমেন্টস পূর্ণ না থাকে তাহলে windows 11 কখনো ইনস্টল করা সম্ভব হবে না।
- ভালো Internet connection থাকতে হবে ।ভালো ইন্টারনেট কানেকশন না থাকলে windows 11 ইনস্টল হতে অনেকটাই সময় লাগবে।
- পর্যাপ্ত storage থাকা লাগবে । পর্যাপ্ত স্টোরেজ কম্পিউটার বা ল্যাপটপে না থাকলে windows 11 সহজে ইনস্টল হবে না।
- চার্জার/নির্ভরযোগ্য Power সংযুক্ত থাকা লাগবে। কারণ windows ইন্সটলের সময় হঠাৎকরে ল্যাপটপ বা কম্পিউটার বন্ধ হয়ে গেলে উইন্ডোজ ইন্সটল বন্ধ হয়ে যাবে এবং পরবর্তীতে সমস্যা হবে।
- গুরুত্বপূর্ণ ফাইল এর ব্যাকআপ রাখতে হবে ।কারণ windowsইন্সটল করার সময় ভুল করে ইনস্টল প্রক্রিয়া বন্ধ হয়ে গেলে কম্পিউটার বা ল্যাপটপে থাকা পুরনো ফাইল ডিলিট হয়ে যেতে পারে।
- Microsoft account থাকলে Windowsএর কিছু online সুবিধা ব্যবহার করা সহজ হয়ে যাই।তাই আগে থেকে Microsoft account থাকলে এবং সেটি রেডি করে রাখা ভালো হয়।
সঠিক পদ্ধতিতে iso ফাইল ডাউনলোড
WinRAR সফটওয়্যার ডাউনলোড
সহজেই ISO ফাইলের ডাটা এক্সট্র্যাক্ট করা
এভাবে আপনি খুব সহজেই ISO ফাইলকে এক্সট্র্যাক্ট করতে পারবেন >। তবেএখানে লক্ষ্য রাখবেন যেনExtract files বাটন ছাড়া অন্য কোন বাটনে ক্লিক না পড়ে। তা না হলে সঠিকভাবে আপনার windows 11 ISO এক্সট্র্যাক হবে না।Extract files বাটনে ক্লিক করার পর আপনার সামনে একটা নতুন পেজ ওপেন হবে এবং সেখানে আপনাকে Extract files এর লোকেশান জিজ্ঞাসা করা হবেঅর্থাৎ আপনি কোন ড্রাইভে windows 11 ISO ফাইলটা এক্সট্র্যাক্ট করবেন। জেহুতু আপনি শুরুতেই সি ড্রাইভে একটা ফোল্ডার ক্রিয়েট করেছিলেন সেহুতু আপনি সি ড্রাইভ সিলেক্ট করবেন এবং সি ড্রাইভে তৈরি করা সেই ফোল্ডারটা সিলেক্ট করবেন।এবং অবশেষে এক্সট্র্যাক্ট অল বাটনে ক্লিক করবেন।অবশেষে আপনার সেই তৈরি করা ফোল্ডারে ISO ফাইলটা এক্সট্র্যাক্ট হওয়া শুরু হবে এবং এখানেএক্সট্র্যাক্টহতে ১ মিনিট মতো সময় লাগবে।
এভাবে আপনি লোকাল ডিস্ক সি সিলেক্ট করবেন এবং লোকাল ডিস্ক সি সিলেক্ট করার পর win 11 ফোল্ডারটা সিলেক্ট করবেন ।আমি জেহুতু win 11 নামের ফোল্ডার ক্রিয়েট করেছিলাম সেহুতু আমি win 11 এই ফোল্ডারটা সিলেক্ট করেছে আপনি জেই ফোল্ডার ক্রিয়েট করেছিলেন আপনি সেই ফোল্ডারটা সিলেক্ট করবেন।এরপর ওকেতে ক্লিক করবেন এবং ওকেতে ক্লিক করার পর আপনার ISO ফাইলটা
System ফাইল ওপেন এবং windows setup
এরপর আপনার কম্পিউটারে বা ল্যাপটপে এমন পেজ দেখা যাবে। এখানে মূলত windows 11 ইন্সটল হই এবং এর পরই মূলত কম্পিউটার বা ল্যাপটপ auto restart শুরু হয়ে যাই ।তবে লক্ষ রাখতে হবে যে এই প্রক্রিয়া চলাকালীন সময়ে যেন আপনার ডিভাইসটা বন্ধ হয়ে না।কারণ এইখানে windowsটা পুরোপুরি ইন্সটল হতে অনেকটাই টাইম লাগে ।তাই এই পর্যায়ে এসে ধৈর্য নিয়ে একটু অপেক্ষা করতে হবে।এইখানে প্রাই ৩০-৪০ মিনিট মতো সময় লাগতে পারে।৩০-৪০ মিনিট পরেই আপনার ডিভাইসটা বন্ধ হয়ে যাবে এবং auto restart হওয়া শুরু হবে।
কম্পিউটার বা ল্যাপটপ auto restart
Windows 11 সেটআপ করা
- Region সিলেক্ট করাঃপ্রথমে Windows 11 আপনাকে Region নির্বাচন করতে বলবে।আপনি Bangladesh সিলেক্ট করবেন।অন্য Region সিলেক্ট করলে সমস্যা হতে পারে। Region নির্বাচন করার পর yes বাটনে ক্লিক করতে হবে।Regionএর উপর ভিত্তি করে windows এর কিছু format, date, time এবং অন্যান্য সেটিংস আপনাকে নির্বাচন করতে হবে এবং এ কাজগুলোও আপনাকে সুন্দরভাবে কমপ্লিট করতে হবে।
- Keyboard Layout সিলেক্ট করাঃ Windows 11 সেটআপের সময় আপনাকে Keyboard Layout সিলেক্ট করতে হবে।এখানে আপনার ব্যবহৃত কিবোর্ডের Layout সিলেক্ট করতে হবে। সাধারণভাবে US Keyboard / US Layout সিলেক্ট করতে হই তাই আপনিও সাধারণভাবে US Keyboard / US Layout সিলেক্ট করবেন এবং পরে yes বাটনে ক্লিক করতে হবে।
- Internet Connection করাঃআপনি যদি Wifi ব্যাবহার করেন তাহলে আপনাকে আপনার Wifi networkএর নাম নির্বাচন করে Password দিতে হবে।সঠিক Password দেওয়ার পর windows আপনার কম্পিউটার বা ল্যাপটপকে Internetএর সঙ্গে Connect করে দিবে।তবে আপনি যদি LAN ব্যাবহার করে থাকেন তাহলে Windows নিজে থেকেই আপনার কম্পিউটার বা ল্যাপটপের Internet Connection চালু করে দিবে।Internet Connection চালু থাকলে windows এর বিভিন্ন Online Service, Update এবং Account related feature ব্যবহার করা সহজ হয়ে যাই ।
- Windows 11এর Update চেক করাঃআপনার কম্পিউটার বা ল্যাপটপের সাথে internet connection হবার পর Windows কিছু প্রয়োজনীয় Update চেক করতে পারে এবং Download করতে পারে।এই সময় আপনার কম্পিউটার বা ল্যাপটপের স্ক্রিনে Checking for Updates, Getting Updates অথবা এ ধরনের ম্যাসেজ দেখা যেতে পারে।এবং এ সময় আপনি আপনার কম্পিউটার বা ল্যাপটপটি চালু করে রাখবেন।
- Computer-এর নাম দেওয়াঃ আপনি চাইলে আপনার ইচ্ছামতো আপনার কম্পিউটার বা ল্যাপটপের নাম সিলেক্ট করতে পারবেন।Windows 11 Setupএ কম্পিউটারের জন্য একটি device name দেওয়ার অপশন থাকে।এখানে আপনি আপনার ইচ্ছামতো যেকোনো একটি নাম দিতে পারেন। যেমনঃHomePC,MyPc,Office বা আপনি চাইলে আপনার নামও দিতে পারেন এটা সম্পূর্ণ আপনার ইচ্ছা।বা আপনি চাইলে কোনো নাম নাও দিতে পারেন।
- PIN তৈরি করাঃMicrosoft Account দিয়ে Sign in করার পর Windows 11 আপনাকে একটি pin তৈরির কথা বলবে।Pin ব্যবহার করে পরবর্তীতে দ্রুত কম্পিউটারে বা ল্যাপটপে Sign in করা যায়।এখানে Windowsএর নির্দেশনা অনুযায়ী আপনাকে একটা পিন সেট করতে হবে।কিন্তু মাথাই রাখতে হবে আপনি যে পিনটা সেট করবেন সেটা যেন আপনার মনে রাখার মতো পিন হই এবং অন্য কেউ যেন আপনার পিন জানতে না পারে।
- Privacy Settings সিলেক্ট করাঃএখানে Windows আপনার কাছ থেকে কিছু তথ্য বা Permission ব্যবহারের জন্য অনুমতি চাইবে। যেমন-Location, Diagnostic Data, Find My Device ইত্যাদি।তবে প্রতিটি Settingএর পাশে Windows কী করতে চায় তা দেখে নিজের প্রয়োজন অনুযায়ী yes,no কিংবা on.off সিলেক্ট করবেন।আপনি যদি কোনো Privacy Feature ব্যবহার করতে না চান বা আপনার ভালো না লাগে তাহলে সেটি বন্ধ রাখার অপশন থাকলে বন্ধ করে দিতে পারেন।
- Windows 11এর Final Setupশুরু হওয়াঃপ্রয়োজনীয় তথ্য দেওয়ার পর Windows 11 আপনার কম্পিউটারের জন্য Final Setup শুরুকরে দিবে।এই সময় আপনার কম্পিউটার বা ল্যাপটপের স্ক্রিনে Getting things ready অথবা This might take a few minutes এমন ধরনের লিখা দেখা দিতে পারে।এ সময় ভুলেও কম্পিউটার বা ল্যাপটপ বন্ধ করা যাবে না কারণ এ সময় কম্পিউটার বা ল্যাপটপ বন্ধ করলে windows ইন্সটল হতে অনেক সমস্যা হবে।কিন্ত ল্যাপটপ বা কম্পিউটার বন্ধ না করলে আপনি সঠিকভাবে windows 11 ইন্সটল করতে সক্ষম হবেন এবং আপনার ডিভাইসে windows 11 সুন্দরভাবে রান করবে।
Windows 11 ইন্সটল হওয়ার পর করণীয়
-
প্রথমে নিশ্চিত হতে হবে যে Windows 11 কোনো সমস্যা ছাড়াই কম্পিউটারে বা ল্যাপটপে চালু হয়েছে এবং Desktop স্বাভাবিকভাবে কাজ করছটাতাইStart Menu, Taskbar, File Explorer এবং Settings খুলে দেখুন। কোনো Error Message বা অস্বাভাবিক সমস্যা দেখা যাচ্ছে কি না।যদি কোনো error ম্যাসেজ না দেখাই তার মানে সব কিছু সঠিকভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
-
আপনার Windows 11 Activated আছে কি না দেখে নেওয়া অনেক গুরুত্বপূর্ণ।এটা দেখার জন্য আপনাকে যেতে হবে settingsএ সেইখান থেকে যেতে হবে systemএ এবং অবশেষে system থেকে জাওয়া লাগবে activation অপশানে।যদি Windows Activated থাকে তাহলে সাধারণত activation সম্পর্কিত একটি নিশ্চিতকরণ ম্যাসেজ দেখা যাই।
-
আপনার ল্যাপটপ বা কম্পিউটারে Windows 11 চালু হওয়ার পর Hardware Driver ঠিকভাবে কাজ করছে কি না পরিক্ষা করে নেয়া সবচেয়ে বেশি ভালো।
-
Windows 11 চালু হওয়ার পর wifi connection ঠিকভাবে কাজ করছে কি না পরীক্ষা করে নিন।Internet ঠিকভাবে কাজ করলে পরবর্তী Update ও Software Download করা সহজ হয়ে যাবে।আপনি আপনার ব্রাউজার খুলে যেকোনো ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে wifi connection বা internet connection চেক করতে পারেন।
-
কম্পিউটারের Date এবং Time সঠিক আছে কিনা সঠিকভাবে তা দেখে নিন।প্রয়োজনে Set time automatically চালু করে দিতে পারেন।এতে করে আপনাকে আর বার বার ঝামেলা করে টাইম বা ডেট পরিবর্তন করতে হবে না জার ফলে আপনার windows11 চালানোটা অনেকটাই সহজ হয় যাবে।
-
একটি Audio বা Video চালিয়ে Sound পরীক্ষা করা দেখে নিন।কারণ Sound না এলে Sound Driver এবং Output Device সিলেক্ট আছে কি না দেখতে হবে।
-
Windows 11 ইনস্টল করার পর Display Resolution সঠিকভাবে সেট হয়েছে কি না দেখে নিতে হবে।এখানে Display resolution থেকে Recommended Resolution নির্বাচন করতে হবে। কারণএতে Screenএর লেখা ও ছবি স্বাভাবিকভাবে দেখা যায়।কিন্তু কেউ যদি Recommended Resolution না দেয় তাহলে screen এর লিখা ও ছবি দেখে খারাপ লাগবে।
-
আপনার কম্পিউটার বা ল্যাপটপে Bluetooth থাকলে সেটি চালু করে কোনো Bluetooth Device এর সঙ্গে Connection করা যাই কিনা দেখে নিতে পারেন Bluetooth যদি সঠিকভাবে connect হই তাহলে ঠিক আছে কিন্তু Bluetooth কাজ না করলে সেটাকে ঠিক করতে হবে।
-
প্রয়োজনীয় Software Install করুন।Windows 11এর প্রয়োজনীয় Setup শেষ হলে নিজের কাজ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় Software Install করতে পারেন।আর হ্যাঁ যেকোনো সফটওয়ার তাদের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট বা পেজ থেকে ডাউনলোড করতে হবে।তাহলে আপনার কম্পিউটার বা ল্যাপটপে সহজে কোনো ধরনের ভাইরাস আক্রমণ করতে পারবে না।
-
সবশেষে আপনার ল্যাপটপ বা কম্পিউটারে আপনি আপনার পছন্দমতো windows 11 এর সব সফটওয়্যার install করবেন এবং ব্যাবহার করতে পারবেন।চেষ্টা করনেন ল্যাপটপ বা কম্পিউটারে যেন কোনো ধরনের থার্ডপাটি সফটওয়ার install করা না হই।
Windows 11 Install করার পর PC/Laptop Slow হলে কী করবেন
Windows 11 Install করার পর অনেক সময় আপনার কম্পিউটার বা ল্যাপটপ আগের তুলনায় কিছুটা slow হয়ে যেতে পারে। বিশেষ করে নতুন করে Windows 11 Install করার পর প্রথমদিকে এমন সমস্যা দেখা যাবে, কারণ তখন Windows Backgroundএ বিভিন্ন ধরনের নতুন ফাংশান যুক্ত হবে এবং আপনাকেও অনেকগুলো কাজ আপনার ল্যাপটপ বা কম্পিউটারে করতে হবে। যেমন Windows Update চেক ও Download করা, প্রয়োজনীয় Update Install করা, Driver প্রস্তুত করা, Windows Searchএর জন্য File Index তৈরি করা, Microsoft Storeএর বিভিন্ন app update করা এবং আরও কিছু System Process Backgroundএ চলতে পারে। এসব কাজের সময় CPU, RAM এবং Disk-এর ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি হওয়ার কারণে কিছু সময়ের জন্য PC ধীর মনে হতে পারে। তাই Windows 11 Install করার পর PC Slow মনে হলে প্রথমেই আতঙ্কিত না হয়ে কিছু সময় অপেক্ষা করা উচিত এবং Windows-এর প্রয়োজনীয় কাজগুলো সম্পূর্ণ হতে দেওয়া ভালো। এরপর Settings থেকে Windows Update-এ গিয়ে কোনো Update বাকি আছে কি না তা Check করে নিতে হবে এবং Update থাকলে সেগুলো সম্পূর্ণ Install করতে হবে। Update শেষ হওয়ার পর প্রয়োজন হলে Computer Restart করে আবার Performance পরীক্ষা করা উচিত। এরপরও যদি PC Slow থাকে তাহলে Task Manager ব্যবহার করে কোন কারণে Computer-এর Performance কমে যাচ্ছে তা খুঁজে বের করা যায়। Task Manager Open করার জন্য Ctrl + Shift + Esc একসঙ্গে চাপলে Processes অংশে CPU, Memory এবং Disk Usage দেখা যাবে। যদি কোনো Application বা Background Process অস্বাভাবিকভাবে বেশি CPU, RAM বা Disk ব্যবহার করে তাহলে সেটি আপনার PC Slow হওয়ার অন্যতম কারণ হতে পারে। একই সঙ্গে Windows চালু হওয়ার সময় কোন কোন Application Automatically চালু হচ্ছে সেটিও পরীক্ষা করা উচিত, কারণ অনেক বেশি Startup App থাকলে Windows চালু হতে বেশি সময় লাগে এবং Desktop আসার পরও Computer কিছু সময় ধীর থাকতে পারে। প্রয়োজন নেই এমন Startup Application থাকলে Task Manager-এর Startup Apps অংশ থেকে সেগুলো প্রয়োজন অনুযায়ী Disable করা যায়।আপনি যদি আপনার অপ্রয়োজনীয় Startup appগুলো disable করে দেন তাহলে আপনার ল্যাপটপ বা কম্পিউটার আগের তুলনাই অনেক বেশি ফাস্ট হয়ে যাবে । এছাড়া Windows 11 Install করার পর অপ্রয়োজনীয় Software বেশি Install করা হয়ে থাকলেও PC-এর Performance কমে যেতে পারে। তাই Settings-এর Apps থেকে Installed Apps দেখে যেসব Software আর ব্যবহার করা হয় না সেগুলো Uninstall করে দিবেন। Computer এর C Drive বা System Driveএ পর্যাপ্ত Free Space আছে কি না সেটিও পরীক্ষা করা গুরুত্বপূর্ণ। কারণ Storage পূর্ণ হয়ে গেলে Windows-এর স্বাভাবিক কাজকর্মে সমস্যা তৈরি হয় এবং Computer বা laptopএর গতি কমে যাই। Settingsএর System এবং Storage অংশে গিয়ে কোন ধরনের File কত জায়গা ব্যবহার করছে তা দেখা যায় এবং প্রয়োজন অনুযায়ী অপ্রয়োজনীয় Temporary Files পরিষ্কার করা যায়। Windows 11 Install করার পর Driver সঠিকভাবে Install বা Update না হলেও Computer-এর Performance এবং বিভিন্ন Hardware-এর কাজের ক্ষেত্রে সমস্যা দেখা দিতে পারে। বিশেষ করে Graphics, Network, Audio এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ Driver সঠিকভাবে কাজ করছে কি না পরীক্ষা করা উচিত। Windows Update-এর মাধ্যমে অনেক Driver Update পাওয়া যেতে পারে, আবার প্রয়োজন হলে কম্পিউটারের Hardware Manufacturerএর অফিসিয়াল Website থেকে সঠিক Driver নেওয়া যেতে পারে। PC Slow হওয়ার আরেকটি কারণ হতে পারে Computer-এর Hardware Configuration। যদি কোনো পুরোনো Computer-এ Windows 11 ব্যবহার করা হয় এবং সেখানে RAM কম থাকে অথবা HDD ব্যবহার করা হয়, তাহলে নতুন Windows Install করার পরও Computer বা laptop অনেক বেশি ধির মনে হবে। বিশেষ করে HDD-তে Windows চালু হওয়া, Application Open করা, File Search করা এবং Update Install করার মতো কাজ SSDএর তুলনায় ধীর হতে পারে। একইভাবে RAM কম থাকলে একসঙ্গে অনেক Browser Tab, Software বা অন্য Application চালানোর সময় Computer Slow হয়ে যেতে পারে। তাই Task Manager-এর Performance অংশ থেকে Memory এবং Diskএর ব্যবহার দেখে নেওয়া ভালো। Windows 11 Install করার পর PC Slow হওয়ার পাশাপাশি যদি Computer অতিরিক্ত গরম হয় বা Fan অনেক বেশি শব্দ করে, তাহলে Overheatingএর বিষয়টিও বিবেচনা করতে হবে। অতিরিক্ত গরম হলে Processor নিজের Performance কমিয়ে দিতে পারে এবং যার ফলে Computer এর গতি কমে যেতে পারে এবং হ্যাং করতে পারে। তাই Computer-এর Cooling System ঠিক আছে কি না এবং Laptop-এর Air Vent-এ অতিরিক্ত Dust জমে আছে কি না সেটিও পরীক্ষা করা প্রয়োজন। এছাড়া Windows Security ব্যবহার করে একটি Security Scan চালিয়ে নেওয়া ভালো, বিশেষ করে যদি PC Slow হওয়ার সঙ্গে অস্বাভাবিক কোনো কিছু দেখা যায়। তবে শুধু PC Slow হয়েছে বলে Internet থেকে যেকোনো PC Booster, RAM Cleaner বা Speed-up Software Install করা উচিত নয় কারণ এগুলো সবসময় Computer দ্রুত করবে এমন কোনো ধরনের নিশ্চয়তা নেই এবং কিছু ক্ষেত্রে এসব Software নিজেরাই Backgroundএ Resource ব্যবহার করতে পারে। Windows 11 Install করার পর PC Slow হলে প্রথমে Windows Update সম্পূর্ণ করা, Computer Restart দেওয়া, Task Manager থেকে CPU, Memory ও Disk Usage পরীক্ষা করা, Startup Apps নিয়ন্ত্রণ করা, অপ্রয়োজনীয় Software সরানো, Storage Space খালি রাখা এবং প্রয়োজনীয় Driver Update করা—এই বিষয়গুলো পর্যায়ক্রমে পরীক্ষা করা সবচেয়ে ভালো ।এসব করার পরও যদি Computer নিয়মিতভাবে Slow থাকে, তাহলে PC-এর RAM, Storage Drive, Processor এবং অন্যান্য Hardware-এর Performance পরীক্ষা করা প্রয়োজন। কারণ Windows 11 Install করা সম্ভব হলেই যে প্রতিটি Computer-এ একই ধরনের Performance পাওয়া যাবে, এমন নয়। Computer-এর Hardware যত ভালো হবে, Windows 11 তত বেশি Smoothভাবে ব্যবহার করার সুযোগ থাকবে। তাই Windows 11 Install করার পর PC Slow হলে প্রথমেই Windows-এর সমস্যা মনে না করে Software, Update, Driver, Storage এবং Hardwareসবগুলো বিষয় ধাপে ধাপে পরীক্ষা করে প্রকৃত কারণ খুঁজে বের করা উচিত।আপনার কম্পিউটার বা ল্যাপটপে windows 11 ইন্সটল করার পর আপনি চাইলে আপনার কম্পিউটার বা ল্যাপটপ থেকে সকল ধরনের কুকিজ ফাইল ডিলিট করতে পারেন।এর কারনে প্রথমে আপনাকে windows+r বাটনে ক্লিক করে run মুড চালু করে দিতে হবে এবং সার্চ দিতে হবে temp
আগের বরের মত এবারও আপনি ওকেতে প্রেস করবেন এবং আপনি আপনার কম্পিউটার বা ল্যাপটপের কিবোর্ডেরctrl+A কিতে ক্লিক করে সবগুলো ফাইল সিলেক্ট করে নিবেন এবং এবারও আপনি সবগুলো ফাইল সিলেক্ট করার পর আপনার কম্পিউটার বা ল্যাপটপের ডিলিট key তে ক্লিক করে সবগুলো কুকীর ফাইল বা টেম্পোরারি ফাইল ডিলিট করে দেবেন। এই দুইটা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আপনার কম্পিউটার বা ল্যাপটপে যত ধরনের লুকিয়ে থাকা কুকিজ ফাইল বা টেম্পোরারি ফাইল থাকবে সবগুলো অটোমেটিক ডিলিট হয়ে যাবে এবং এবং আপনার ল্যাপটপ বা কম্পিউটার আগের তুলনায় অনেক বেশি ফাস্ট হয়ে যাবে।
Windows 11 ইন্সটল করার পর সহজেই কিভাবে activate করবেন
Windows 11 Install করার পর কম্পিউটার ঠিকভাবে ব্যবহার করার জন্য আপনাকে Windows Activation Status পরীক্ষা করে নিতে হবে। মূলতWindows Activation হলো এমন পদ্ধতি যার মাধ্যমে Microsoft যাচাই করে আপনার Windows-এর কপি সঠিক লাইসেন্স বা বৈধ Product Keyএর সঙ্গে যুক্ত আছে কিনা।windows 11 নতুন করে Install করার পর বেশিরভাগ সময় Windows নিজে থেকেই Activate হয়ে যেতে পারে ।বিশেষ করে আপনার কম্পিউটারে বা ল্যাপটপে যদি আগে থেকেই একটি বৈধ Digital License থাকে এবং একই Hardwareএ Windows পুনরায় Install করা হয়। কিছু ক্ষেত্রে Windows Installation সম্পূর্ণ হবার পর Activation Settings থেকে Windows Activate করতে হয়। তাই Windows 11 Install করার পর প্রথমেই Activation Status পরীক্ষা করে নেওয়া ভালো। Windows 11 Activated আছে কিনা তা দেখতে প্রথমে Start Menu থেকে Settings Open করতে হবে। এরপর System অপশনে গিয়ে Activation নির্বাচন করতে হবে। Activation পেজে Windowsএর Activation Status দেখা যাবে। যদি Windows Activated থাকে তাহলে সেখানে Windows Activation সফল হয়েছে বা এই রকম টাইপের ম্যাসেজ দেখতে পাবেন। আর যদি Windows Activated না থাকে তাহলে Activation সংক্রান্ত কোনো মাসেজ বা সমস্যা দেখাতে পারে। Windows 11 Activate করার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো আপনার কাছে একটি বৈধ Windows License বা Product Key থাকা। Product Key সাধারণত ২৫ অক্ষরের একটি code যা Windowsএর লাইসেন্সের সঙ্গে দেওয়া হয়। যদি আপনার কাছে বৈধ Product Key থাকে তাহলে Activation Settingsএর মাধ্যমে সেটি ব্যবহার করে খুব সহজেই আপনি আপনার উইন্ডোজ Activate করতে পারবেন। এর জন্য আপনাকে প্রথমেSettings থেকে System এ যেতে হবে এবং তারপর Activationএ গিয়ে Product Key পরিবর্তন করার জন্য দেওয়া অপশন সিলেক্ট করতে হবে। এরপর Microsofএর নির্দেশনা অনুযায়ী Product Key দিয়ে Activation Process করতে হবে এবং আপনি এইভাবে সঠিক ভাবে কাজটা করলে খুব সহজে কোন প্রকার ঝামেলা ছাড়া আপনার কাজটা হয়ে যাবে। Product Key সঠিক হলে এবং সেটি আপনার Windows Editionএর সঙ্গে মিল থাকলে হলে Windows Activatio সঠিকভাবে হয়ে যাবে। তবে Product Key দেওয়ার সময় প্রতিটি অক্ষর ও সংখ্যা সঠিকভাবে দেওয়া হয়েছে কি না তা ভালোভাবে পরীক্ষা করে নিবেন। আরো একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো Windows 11 এর সাথে বিভিন্ন Edition যেমন Windows 11 Home এবং Windows 11 Proএর License একে অপরের সঙ্গে সবসময় একইভাবে ব্যবহার করা যায় না। তাই আপনার কম্পিউটারে যে Windows Edition Install করা হয়েছে তার সঙ্গে মিল রয়েছে এমন License ব্যবহার করতে হবে। উদাহারন হিসাবে বলা যাই Windows 11 Home-এর জন্য নির্দিষ্ট License থাকলে Windows 11 Pro Edition-এ সেটি ব্যবহার করার ক্ষেত্রে সমস্যা হতে পারে। তাই Activation করার আগে আপনার Windows Edition কোনটি সেটি Activation Settings থেকে দেখে নিবেন যেন পরবর্তী সময়ে কোনো ধরনের সমস্যা না হই। অনেক কম্পিউটার বা ল্যাপটপে Product Key আলাদাভাবে দেওয়ার প্রয়োজন হয় না কারণ সেই কম্পিউটার বা ল্যাপটপের Hardwareএর সাথে একটি Digital License যুক্ত থাকে। এক্ষেত্রে একই ডিভাইসে Windows পুনরায় Install করার পর Internet-এর সঙ্গে Connect করলে Windows নিজে নিজেই Activate হয়ে যেতে পারে। এজন্য Windows 11 Install করার পর Computerকে Internetএর সঙ্গে Connect করে কিছু সময় অপেক্ষা করা ভালো। এরপর Settingsএর Activation অংশে গিয়ে Status পরীক্ষা করলে Windows Activated হয়েছে কিনা টা জানতে পারবেন। Microsoft Accountএর সঙ্গে Digital License যুক্ত থাকলেও ভবিষ্যতে একই ডিভাইসে Windows পুনরায় Install বা Activationএর ক্ষেত্রে সুবিধা পাওয়া যেতে পারে। তবে Microsoft Account থাকলেই Windows সবসময় বিনামূল্যে Activated হয়ে যাবে এমন নয় বরং আপনার কম্পিউটার বা ল্যাপটপের বৈধ license থাকতে হবে। Windows 11 Activationএর সময় Internet Connection গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। কারণ Activation Server-এর সঙ্গে যোগাযোগ করে license যাচাই করার প্রয়োজন হতে পারে। তাই Activation করার সময় আপনার internet connection ঠিকভাবে রাখতে হবে। যদি Windows Activation না হয় তাহলে প্রথমে Internet Connection ঠিক আছে কি না পরীক্ষা করতে হবে। এরপর Windowsএর Edition এবং Activation Status ভালোভাবে দেখতে হবে। যদি Product Key ব্যবহার করা হয়ে থাকে তাহলে Keyটি সঠিকভাবে দেওয়া হয়েছে কি না এবং সেটি বৈধ কি না তা দেখতে হবে । কখনো কখনো Microsoftএর Activation Server সংক্রান্ত সাময়িক সমস্যার কারণেও Activation সম্পন্ন হতে দেরি হতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে কিছু সময় পরে আবার Activation Status পরীক্ষা করা যেতে পারে। Windows 11 Activate করার সময় কোনো Error Code দেখা দিলে সেটি লক্ষ্য করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ কারণ Error Code থেকে সমস্যার কারণ সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যাই। Error Code না বুঝে Windows-এর System File ,Registry বা অন্য গুরুত্বপূর্ণ Settings পরিবর্তন করা উচিত নয়। Windows Activation সমস্যা সমাধানের জন্য Windowsএর নিজস্ব Activation Troubleshooter থাকলে সেটিও ব্যবহার করা যেতে পারে। Activation Settings-এ Troubleshoot অপশন দেখা গেলে সেটি নির্বাচন করে Windows-এর নির্দেশনা অনুসরণ করা যায়। বিশেষ করে Hardware পরিবর্তন করার পর Windows Deactivated হয়ে গেলে Digital License পুনরায় শনাক্ত করার ক্ষেত্রে Microsoft Account এবং Activation Troubleshooter কাজে আসতে পারে। তবে Hardware এর ধরন এবং Licenseএর ধরন অনুযায়ী windows activationএর নিয়ম ভিন্ন হতে পারে। Windows 11 Install করার পর যদি Activation Status দেখায় যে Windows Activated নয় তাহলে প্রথমে আপনার Windowsএর License বৈধ কি না এবং সঠিক Edition Install করা হয়েছে কি না তা পরীক্ষা করা উচিত। কোনো অজানা Website, Crack, Activator বা অবৈধ Software ব্যবহার করে Windows Activate করার চেষ্টা কখনোই করবেন না। কারণ এসব পদ্ধতি Windowsএর Security ঝুঁকিতে ফেলতে পারে আপনার ডিভাইসে Malware বা অন্য ক্ষতিকর Software প্রবেশ করার রাস্তা ক্লিয়ার করে দিতে পারে। তাই Windows Activate করার ক্ষেত্রে Microsoftএর অফিসিয়াল Activation পদ্ধতি, বৈধ Product Key অথবা বৈধ Digital License ব্যবহার করাই সবচেয়ে নিরাপদ উপায়। যদি আপনি আগে বৈধভাবে Windows ব্যবহার করে থাকেন এবং একই Computerএ Windows 11 পুনরায় Install করেন তাহলে Internet Connection চালু করার পর কিছু সময় অপেক্ষা করে Activation Status পরীক্ষা করে নিন কারণ অনেক ক্ষেত্রে Windows নিজে থেকেই পূর্বের Digital License শনাক্ত করতে পারে। Activation সম্পন্ন হওয়ার পর আবার Settings থেকে System এবং Activation অংশে গিয়ে Status পরীক্ষা করে নিশ্চিত হতে হবে যে Windows সত্যিই Activated হয়েছে কিনা। সবকিছু ঠিক থাকলে Windows 11 নিয়মিতভাবে ব্যবহার করা যাবে এবং Windows Update ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় Microsoft Service ব্যবহার করা আপনার জন্য অনেকটাই সহজ হবে। তাই Windows 11 Install করার পর Activation নিয়ে কোনো সমস্যা হলে প্রথমে Activation Status পরীক্ষা করা, Internet Connectionথাকা, Windows Edition যাচাই করা, বৈধ License বা Product Key ব্যবহার করা এবং প্রয়োজন হলে Windowsএর Troubleshooter ব্যবহার করা উচিত। এভাবে ধাপে ধাপে পরীক্ষা করলে বেশিরবাগই Activation সমস্যা সহজেই শনাক্ত করা সম্ভব হয় এবং Windows 11কে নিরাপদ ও বৈধভাবে ব্যবহার করা যাই।
শেষ কথাঃ লেখকের মন্তব্য
Windows 11 Install করা কোনো কঠিন বিষয় নয় ।শুধু সঠিক নিয়ম মেনে ধাপে ধাপে কাজ করলেই সহজেই আপনিও Windows 11 ইন্সটল করতে পারবেন । ইনস্টলের আগে আপনার কম্পিউটার বা ল্যাপটপের Compatibility, Storage এবং দরকারি সবকিছু ঠিকভাবে যাচাই করে নিবেন এবং ইনস্টলের পর Driver, Windows Update ও Activation এ সকল কিছু সঠিকভাবে সেটআপ করবেন কারণ এসব বিষয় গুলো যদি আপনি সঠিকভাবে সম্পন্ন করতে না পারেন তাহলে আপনি windows 11 ইন্সটল করেও সঠিকভাবে ব্যাবহার করতে পারবেন না । আশা করি আমার এই লিখাগুলো অনুসরণ করে আপনি খুব সহজেই আপনার কম্পিউটারে বা লাপ্টোপে খুব সহজেই Windows 11ইন্সটল করতে পারবেন।
windows 11 ইন্সটল করা হয়ে গেলে আপনার কম্পিউটার বা ল্যাপটপে যেকোনো ধরনের থার্ডপার্টি সফটওয়্যার ডাউনলোডে কিংবা ব্যবহারে সতর্ক থাকবেন ।কারণ এসব থার্ডপার্টি সফটওয়্যার ব্যবহারের কারণে আপনার ব্যবহৃত কম্পিউটার বা ল্যাপটপে ভাইরাস আক্রমণ করতে পারে এছাড়াও বিভিন্ন প্রকার ম্যালওয়্যার প্রবেশের রাস্তা সহজ হয়ে যেতে পারে। তাই windows 11 সঠিকভাবে আপনার ল্যাপটপ বা কম্পিউটারে ইনস্টল হয়ে গেলে এসব থার্ডপার্টি সফটওয়্যার ব্যবহার হতে বিরত থাকবেন।







.webp)







ঘ্রাণ বাড়ির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url